

মেরিন ড্রাইভ সড়কে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় পেঁচারদ্বীপের নজির আহামেদ নিহত
মোহাম্মদ রাশেদ: কক্সবাজার
কক্সবাজারের রামু উপজেলার পেঁচারদ্বীপ এলাকায় টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় নজির আহাম্মদ (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তিনি পেঁচারদ্বীপ এলাকার মৃত মোবারক আলীর ছেলে ও স্থানীয় বাসিন্দা।
শুক্রবার ১৩ মার্চ ২৬ ইং দুপুর আনুমানিক ১২:৪০ মিনিটের দিকে জুমার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে মেরিন ড্রাইব সড়ক পার হওয়ার সময় টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি যাত্রীবাহী প্রাইভেটকারের সামনে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরপরই হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনায় জড়িত প্রাইভেটকারটি জব্দ করে এবং গাড়ির চালক টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের মৃত মির কাশেমের ছেলে কবির আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়
এ বিষয়ে হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) জানান, ঘটনাস্থল থেকে গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। নিহতের পরিবার যদি আইনগত ব্যবস্থা নিতে চায় তাহলে পুলিশ তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। অন্যথায় গাড়ির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় ও পথচারীদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, টেকনাফের যাত্রীবাহি প্রাইভেট কার গুলো মেরিনড্রাইবে বেপরোয়া ভাবে চলাচলের ফলে নিয়মিত সড়ক দূর্ঘটনা হচ্ছে, প্রতিনিয়ত তাজা প্রাণ হারাচ্ছে পেঁচারদ্বীপ সহ সড়কে ঘেঁষা জনবসতি গুলো। বেপরোয়া গাড়ি চলাচলে প্রসাশনের কটোর নজরদারি ও লাইসেন্স বিহীন ড্রাইবার সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে, তাছাড়া ফিটনেস বিহীন গাড়ির সংখ্যাও ব্যাপক হারে বাড়ছে। এইসব বিষয়ে প্রসাশনের নিয়মিত অভিযানের ফলে দূর্ঘটনার প্রবণতা কমবে বলে ধারণা করছেন সচেতন মহল।
নিহত নজির আহাম্মদের মরদেহ বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা বা অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, মেরিন ড্রাইভ সড়কে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়কে পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা ও সড়ক নিরাপত্তা জোরদার না হলে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা আরও বাড়বে